Кадр выше наш. Полное медиа с Facebook запрошено — подставим его сюда, как только приедет.
ppuk.dragon.living
💀 নাহ্ ইয়ার, আমার কাছে মাত্র ৪৫ পাউন্ড ছিল। ভ্যানের রিপেয়ার ২৭০০। কালেক্টররা রোজ ফোন করত, সত্যি কথা বলছি। ওই রাতে সব বদলে গেল। আমার নাম ফাহিম। বয়স ৩৫। লন্ডনের বেথনাল গ্রিনে থাকি। কিন্তু আমার বাড়ি সিলেট, বাংলাদেশ। আমি রাজমিস্ত্রি। কনস্ট্রাকশন সাইটে কাজ করি। ৯ বছর হয়ে গেল এই ব্যবসায়। বেশিরভাগ সময় ঠিকাদারদের অধীনে নিজের কাজ করি — সেলফ-এমপ্লয়েড। ভালো রোজগার ছিল ইয়ার — ২১০০ থেকে কখনো ২৬০০ পাউন্ড মাসে, ওভারটাইম পেলে। আমার মেয়েটি (সিলেটি, নাম ফাতেমা) কাজ করত না — ছোট ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে থাকত। আমরা ভেবেছিলাম — "কয়েক মাস চলে যাবে… ছেলে একটু বড় হলে হাই স্ট্রিটের কোনো দোকানে পার্টটাইম কাজ পেয়ে যাবে।" কিন্তু সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল 💀 ২০২৫/২৬ সালের শীতটা ছিল ভয়ঙ্কর। লন্ডনে বৃষ্টি — থামার নাম ছিল না। একের পর এক সাইট বন্ধ। যেই কোম্পানির সাথে ৬ মাস কাজ করছিলাম, তারা পেমেন্ট ২ মাস ধরে রাখল। বলল — "লিকুইডিটি প্রবলেম আছে।" কনস্ট্রাকশনে এটা "স্বাভাবিক" ইয়ার… কিন্তু যখন ঘরে তোমার মেয়ে আর ছোট বাচ্চা থাকে — তখন এটা স্বাভাবিক না। এটা জুলুম। তার ওপর — সাউথহলের ফ্ল্যাটের মালিক ভাড়া ১৫০ পাউন্ড বাড়িয়ে দিল। আমরা সবকিছুতেই কাটছাঁট করা শুরু করলাম। খাবারে। হিটিংয়ে। এমনকি ছেলের ওষুধেও। হালত ওখানে পৌঁছে গেল। তারপর ভ্যানটাই সব শেষ করে দিল। আমার পুরানো ফোর্ড ট্রানজিট — আমাদের রুটি-রুজি। ক্লাচ আর গিয়ারবক্স — পুরো মরা। রিপেয়ার — ২৭০০ পাউন্ড। ভ্যান ছাড়া লন্ডনে তুমি কিছুই না। কোনো ফোরম্যান তোমাকে ডাকবে না যদি তুমি নিজের সরঞ্জাম নিয়ে আসতে না পারো। দিন দিন টাকা উড়ে যাচ্ছিল যতক্ষণ ভ্যান গ্যারেজে পড়ে ছিল। পহেলা ক্রেডিট কার্ড আর ওভারড্রাফ্ট দিয়ে চালালাম। তারপর লোন নিতে হলো। ভাবলাম — "ভ্যান ঠিক করাব, কাজে ফিরব, আর দ্রুত সব উদ্ধার করব।" কিন্তু না ইয়ার। সুদ। বিল। ছেলে অসুস্থ হয়ে গেল। প্রাইভেট ডাক্তার দেখাতে হলো কারণ জিপির অ্যাপয়েন্টমেন্ট তিন সপ্তাহ পর। আর সব ভেঙে পড়তে লাগল। কর্জ বাড়তে লাগল। কালেক্টর এজেন্সি — রোজ ফোন। বেলা বেলা তিনবার। আমি অচেনা নম্বর তোলা বন্ধ করে দিলাম। আর রাতে তুমি পড়ে থাকো আর ভাবো: "আমি কোথায় চলে এলাম? ভালো জীবনের জন্য লন্ডনে এসেছিলাম… আর এই হলো?" একদিন রাতে ঘুম এল না। ফাতেমা ঘুমাচ্ছিল। ছেলে ক্রিবে। আমি ফোনে স্ক্রল করছিলাম। হঠা