Кадр выше наш. Полное медиа с Facebook запрошено — подставим его сюда, как только приедет.
এখানে ইনস্টল করুন 👉
🛑 আমি সারাদিন কাজ করি… কিন্তু আমার সবচেয়ে বেশি ভয় কাজকে নয়, বরং সেই সন্ধ্যাগুলোকে যখন আমাকে টাকা গুনতে হয়। আমার বয়স ২৬। আমি আমার ছোট বোনের সাথে ঢাকায় থাকি। বাবা অসুস্থ হওয়ার পর, আমিই পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী হয়ে গেলাম। প্রতিদিনই কাজ, যাতায়াত, আর কাজ। আমি একটা ছোট কাপড়ের দোকানে কাজ করি। বেতন কম, কিন্তু কোনো উপায় নেই। ঘর ভাড়া। খাওয়া-দাওয়া। বাবার জন্য ওষুধ। আর প্রতিবারই একই অবস্থা… টাকা যথেষ্ট হয় না। আমি গুনেছি, পরিকল্পনা করেছি, জমিয়েছি। কিন্তু হিসাব মেলে না। একদিন সন্ধ্যায় আমি একটা খাতা নিয়ে বসে আমার খরচগুলো গুনলাম। আরেকটা বিয়োগ। আমি শুধু চোখ বন্ধ করে দু'হাতে মাথা চেপে ধরলাম। আমার মাথায় একটাই চিন্তা ঘুরছিল: “আমি আর নিজেকে সামলে নিতে পারব না…” আমি কাঁদিনি। এটা করার মতো শক্তিও আমার আর ছিল না। শুধু শূন্যতা। আমি ফোনটা হাতে নিয়ে ফেসবুক খুললাম। আমি আগ্রহ ছাড়াই ফিড স্ক্রল করছিলাম। আর হঠাৎ একটা ভিডিও চোখে পড়ল। একটি মেয়ে। সে কাঁদছিল… কিন্তু এই কান্না আমার চেনা কান্নার মতো ছিল না। সে একই সাথে হাসছিল আর কাঁদছিল। সে আমাকে তার ফোনটা দেখাচ্ছিল আর জেতার কথা বলছিল। আমি আপনাআপনিই স্ক্রল করে গেলাম। কিন্তু কী যেন আমাকে ফিরিয়ে আনল। আমি আবার তাকালাম। আর ভাবলাম: “ওকে এত বাস্তব লাগছে কেন?” কোনো বিজ্ঞাপনের মতো নয়। একজন সাধারণ মানুষের মতো। আমার মতো। আমি অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে রইলাম… তারপর নিজেকে বললাম: “ঠিক আছে। একবার দেখেই নিই।” আমি রেজিস্টার করলাম। ওরা আমাকে একটা বোনাস আর কয়েকটা স্পিন দিল। আমি বিষয়টাকে গুরুত্ব দিলাম না। আমি শুধু ক্লিক করে দেখতে থাকলাম। প্রথমে আমার ব্যালেন্স সামান্য বাড়ল। তারপর ওটা কমে গেল। আমি এমনকি হাসলাম: “ওহ, ঠিক আছে…” আমি ফোনটা কেটে দিতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু আমি ঝুঁকি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। আর হঠাৎ… স্ক্রিনটা নাটকীয়ভাবে বদলে গেল। বোনাস। আমি ফোনের কাছে ঝুঁকে পড়লাম। সংখ্যাগুলো নড়তে শুরু করল। ৳২,৫০০… ৳৬,০০০… ৳১২,০০০… আমি অনুভব করলাম আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেছে। আমি নড়লামও না। যখন সবকিছু থেমে গেল, আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। ব্যালেন্সে ৳৩,৫০,০০০-এরও বেশি দেখাচ্ছিল। আমি বসে বসে দেখতে লাগলাম। কোনো আনন্দ নেই। কোনো কান্না নেই। শুধু এক ঘোরের মধ্যে ছিলাম। আমি “উইথড্র” বোতামটা চাপলাম। আর