Кадр выше наш. Полное медиа с Facebook запрошено — подставим его сюда, как только приедет.
আমার নাম হাসান। আমার বয়স ৩২ বছর। আমি লন্ডনে থাকি, মাত্র ৯ বর্গমিটারের একটা ঘরে। এটা ঘর না, এটা একটা খাঁচা। সরু বিছানা, ডেবে যাওয়া ম্যাট্রেস, Asda থেকে কেনা একটা প্লাস্টিকের চেয়ার। আলমারি নেই — সব কাপড় মেঝেতে প্লাস্টিকের ব্যাগে পড়ে আছে। জানালা খোলে একটা ইটের অন্ধ দেওয়ালের দিকে। আলো প্রায় আসেই না। বাতাস ভারী আর বাসি। আমি এখানে শুধু ঘুমাতে আসি। সকাল ৫টায় বেরিয়ে যাই, রাত ১১টায় ফিরি। মাঝে মাঝে মনে হয় আমি গরিবদের হোটেলে থাকি — ঢুকলাম, ঘুমালাম, বেরিয়ে গেলাম। চায়ের কেটলি নেই, ভালো লাইট নেই, ভালো চেয়ার নেই। শুধু ফোন, চার্জার আর চাবি। আমি Amazon-এ ডেলিভারি ড্রাইভারের কাজ করি। ঠিকাদারের মাধ্যমে চুক্তি। সকাল ৪:৩০-এ উঠি, ৬:০০-এ গুদামে। ১০-১২ ঘণ্টা টানা গাড়ি চালাই। বিরতি? মাঝে মাঝে গাড়ির ভিতরে দ্রুত একটা স্যান্ডউইচ গিলে ফেলি, আর স্ক্যানার পরের বক্সের জন্য বাজতে থাকে। আমার ভ্যানটা পুরনো Mercedes-Benz Sprinter, লিজে নেওয়া। দরজার নিচে মরিচা, ইঞ্জিনের চেক লাইট সবসময় জ্বলে, কিন্তু মেরামতের টাকা নেই। কাগজে-কলমে মাসে £2,200–2,500 হয়। কিন্তু অর্ডার কম থাকলে কোম্পানি ঘণ্টা কেটে দেয়। ট্যাক্স, লিজ, পেট্রোল, ইন্স্যুরেন্স — সব কেটে হাতে আসে কোনোমতে £1,800। প্রতি মাসের খরচ: ঘরের ভাড়া (বিদ্যুৎ-পানি সহ) — £800 ঋণ (£7,200 এখনো বাকি) — £350 ভ্যানের লিজ — £300 পেট্রোল — £300 ইন্স্যুরেন্স — £150 খাবার — £150 (চাল, ডিম, সস্তা নুডলস, ফ্রোজেন সবজি) শেষে বেঁচে থাকে £100–200। যদি কিছু না ভাঙে আর ঘণ্টা না কাটে। যদি আমি এক সপ্তাহও অসুস্থ হয়ে পড়ি — ঘরের ভাড়া দিতে পারব না। যদি Amazon ঘণ্টা কমিয়ে দেয় — খাবারের টাকাও থাকবে না। যদি ভ্যান বন্ধ হয়ে যায় — মেরামত করার টাকা পাব না। আর তাহলে সব শেষ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি কষ্ট ঋণ আর কাজের জন্য না। তিন মাস আগে আমার স্ত্রী আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। সে বলেছিল: “তুমি তো ভূত হয়ে গেছ। বাড়িতে থাকলেও তুমি নেই। হয় ঘুমাও, নয়তো ফোনে মগ্ন থাকো। আমি আর তোমাকে অনুভব করি না।” সে জিমের ছেলে আমিরের কাছে চলে গেছে। একদিন Tesco-তে দেখেছিলাম — সে আমিরের হাত ধরে হাসছিল। এত জোরে সে আমার সাথে অনেকদিন হাসেনি। আমি কোনো ঝগড়া করিনি। শুধু নিজের জিনিসপত্র ব্যাগে ভরে এই ৯ বর্গমিটারের ঘরে চলে এসেছি। যে চলে যেতে চায়, তাকে আটকে রাখা বৃথা। এখন রাতে ফিরে এই ইটের